ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ ভানু

উপস্থাপকঃ প্রিয় দর্শক, আজকে আমরা বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করব। আমাদের মাঝে আছেন ডক ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে আপনারা অনেক রূপেই জানেন। আজকে তিনি আমাদের সাথে আছেন ক্রিকেটের একজন গবেষক ও বিশেষজ্ঞ পণ্ডিত হিসাবে। শুভ সকাল ভানুবাবু, আলোচনার শুরুতে আপনি যদি আপনার এই নতুন পরিচয় সম্পর্কে একটু খোলাসা করতেন … মানে আপনি কোন কারনে নিজেকে ক্রিকেটের একজন গবেষক ও বিশেষজ্ঞ পণ্ডিত হিসাবে দাবী করছেন, এটা যদি আমাদের দর্শকদেরকে একটু জানাতেন …

ভানুঃ দ্যাখেন, এইখানে লুকচুরির কিছু নাই। আমার দাবী অত্যন্ত ন্যায্য। একটা একটা কইরা ব্যাখ্যা করতাছি। প্রথমেই বলি কেন আমি গবেষক? ছোটবেলায় ক্রিকেট শব্দটা প্রথম শোনার পরেই আমার মনে ব্যাপক কৌতূহলের উদ্রেক হইছিল। ডিকশনারী ঘাইটা দেখি এইডার মানে ঝিঁঝিঁ পোকা, অথচ মানষে কয় এইডা একটা খেলা। তাইলে কি টেস্ট ক্রিকেট মানে ঝিঁঝিঁ পোকার স্বাদ আস্বাদন করার কোন প্রতিযোগীতা? তাইলে তো এই খেলায় চাইনিজগো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা! পুরাই ধন্দের মইধ্যে পইরা গেলাম। আমি কইলাম, “ক্রিকেট কি হেইডা আবিষ্কার কইরাই ছাড়ুম” – এক্কেরে ঘোষণা দিয়া ঝাঁপাইয়া পড়লাম। তখনকার দিনে তো আর ইন্টারনেট আছিল না, অনেক বইপত্র ঘাইটা, বহুত গবেষণা কইরা অবশেষে আবিষ্কার করলাম ক্রিকেট কি জিনিস। এখন তো আমি নিয়মিত ক্রিকেট দেখি! তা এই যে ক্রিকেট লইয়া এত এত গবেষণা করলাম, হেই কারনেই আমি একজন বিশিষ্ট ক্রিকেট গবেষক। ফাও হিসাবে আমারে ক্রিকেটের প্রথম আবিস্কারক ও কইতে পারেন… হেঃ হে … রীতিমত ঘোষণা দিয়া গবেষণা কইরা আবিষ্কার করছি কিনা …

উপস্থাপকঃ বেশ বেশ, মানছি আপনাকে অনেক গবেষণা করে ক্রিকেট খেলা চিনতে হয়েছে। কিন্তু শুধু একারনে তো আপনি নিজেকে ক্রিকেটের বিশেষজ্ঞ পণ্ডিত বলে দাবী করতে পারেন না…

ভানুঃ না না, একটু ভুল আছে, কথাডা “বিশেষজ্ঞ পণ্ডিত” না, আমি ক্রিকেটের “বিশেষজ্ঞ এবং পণ্ডিত” – আসলে ক্রিকেটের ব্যাপারে আমার জ্ঞানের দৌড় তো শূন্যের কোঠায়, তার মানে আমি একজন বিশেষ রকমের অজ্ঞ, অর্থাৎ কিনা বিশেষ অজ্ঞ। এখন সময় নষ্ট না কইরা শব্দ দুইডা একটু দ্রুততার সাথে উচ্চারণ করেন, কি পাইলেন?

উপস্থাপকঃ বিশেষজ্ঞ … ??? !!

ভানুঃ কারেক্ট! কিছু কিছু শব্দ দ্রুততার সাথে উচ্চারণ করাই ভালো, সময় অপচয় করা নির্বোধের লক্ষন … যাউকগা, এখন বলি কেমনে আমি পণ্ডিত হইলাম। যখন থেইকা বুঝতে পারলাম যে আমি একজন গবেষক এবং বিশেষজ্ঞ, তখন সিদ্ধান্ত নিলাম আমার এই প্রতিভার আলো নতুন প্রজন্মের মইধ্যে ছড়াইয়া দিতে হইব। আর তা করতে হইলে শিশু কিশোর গো কাছে তরুন প্রজন্মের ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ হিসাবে আবির্ভূত হওনের বিকল্প নাই। দেরী না কইরা মাঠে নাইমা পরলাম। পাড়ার শিশু-কিশোরগো লগে ক্রিকেট খেলতে শুরু করলাম। কিন্তু ব্যাট চালাইলে দেখি বল যায় কিপারের গ্লাভসে আর আমার ব্যাট? সোজা উইড়া গিয়া, বাউন্ডারির উপর দিয়া প্রতিবেশীর জানালায়! ব্যাস, খেলা পণ্ড। বোলিং করতে গেলাম, ওভার প্রতি গড়ে ছাপ্পান্নোডা ওয়াইড দিতে দিতে এক ওভার শেষ না হইতেই দিন শেষ! আবারও খেলা পন্ড! শেষ দিকে তো দুষ্ট পোলাপানরা আমারে ক্রিকেট খেলার ত্রিসিমানায় দেখলেই চিৎকার কইরা কাইন্দা উইঠা কইতো, “ওরে, পণ্ডিত আইসা গেছে খেলা পন্ড করতে! পালা সবাই পাল!” … তাইলেই বোঝেন, কেমন সাংঘাতিক পণ্ডিত আমি!

উপস্থাপকঃ হুম, মানতেই হচ্ছে, আজকে আমরা আমাদের মাঝে ক্রিকেটের একজন দুর্ধর্ষ বিশেষজ্ঞকে পেয়েছি। আমাদের বিশেষ সৌভাগ্য। তো, আসুন বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে আলাপ করি …

ভানুঃ বাংলাদেশের আগে উপমহাদেশের ক্রিকেট লইয়া আমার কিছু দুর্দান্ত আবিষ্কারের কথা জানাইতে চাই …

উপস্থাপকঃ জ্বি জ্বি, নিশ্চয়ই, প্লীজ …

ভানুঃ প্রথমে বলি পাকিস্তানের কথা। স্বীকার করতেই হবে, এই জাতটার ক্রিকেট প্রতিভা কোয়ালিটি এবং কোয়ান্টিটি – দুই দিক দিয়াই অসাধারন। একই সাথে সাড়ে তিনটা T20 টীম চলতাছে শুধু এই পাকিস্তানী খেলোয়াড় দিয়া। পাকিস্তান, আরব আমিরাত, হংকং এর পুরাটা আর সাথে ইংল্যান্ড, সাউথ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ড, নিউ জীল্যান্ড – এই সব দেশে দুই-চারজন কইরা সর্বমোট সাড়ে তিনটা দল। যাই হোউক, নিঃসন্দেহে বিশ্ব ক্রিকেটে পাকিস্তান একটা সুপার পাওয়ার, অনেক অনেক অসাধারন মেধাবী ক্রিকেটার আসছে এই দেশটা থেইকা। শুধু একটাই সমস্যা, কোন দিন চরম ভালো খেলবে আর কোন দিন চরম খারাপ খেলবে তার কোন ঠিক ঠিকানা নাই। কোন দেশে খেলতাছে সেইডা কোনও ফ্যাক্টর না। ম্যাথম্যাটিকসের ভাষায়, তাগো পারফরমেন্সের গ্রাফটা টাইম এক্সিসের উপর নির্ভরশীল, স্পেসের উপরে না। … …

উপস্থাপকঃ দারুন অবজারভেশান! ইন্টারেস্টিং!! কিন্তু এমনটি হওয়ার কি কারণ থাকতে পারে?

ভানুঃ এইটা তাগো জাতের দোষের ফল। ফিজিক্সে যেইটারে টাইম এক্সিস বলে, সাধারন বাংলায় তারে কি কয়? সেইডারে কয় হিস্ট্রি – ইতিহাস। তো, হেগো অতীত ইতিহাস যে কি রকম দাগ লাগা সেডাতো সবাই জানে। তার উপরে তাঁরা হইলো মানুষরে মিথ্যা ইতিহাস শেখানোর ওস্তাদ। এহন, যারা ইতিহাসের লগে এইরকম বেইমানী কইরা বেড়ায় তাগো লগে ইতিহাস দেবী ও মাঝে মইধ্যে একটু আধটু মস্করা করেন। এই জন্যই কোন সময়ে কেমন খেলবে তার কোনই ঠিক ঠিকানা নাই। এতে আর অবাক হওনের কি আছে?

উপস্থাপকঃ বড্ড গোলমেলে ঠেকছে, আবার বেশ ইন্টারেস্টিং ও মনে হচ্ছে! তা ইন্ডিয়ার সম্পর্কে আপনার কি অভিমত?

ভানুঃ ইন্ডিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ হইলো বিশ্বের সেরা, আর তার লগে পাল্লা দিয়া তাগো বোলিং ডিপার্টমেন্ট সেই রকমই কোমরভাঙ্গা! যদিও জনসংখ্যার বিবেচনায় তাগো দেশ থেইকা কমপক্ষে চাইর-পাঁচটা বিশ্বমানের দল বানানোর কথা। তবে তাগো মূল সমস্যা হইলো স্পেস এক্সিসে। পাকিস্তানের যেমন টাইম এক্সিসে, ইন্ডিয়ার তেমনি স্পেস এক্সিসে সমস্যা। দুই দেশ মিল্যা আইনস্টাইনের স্পেস-টাইম মডেলের পুরাটাই কাভার কইরা ফালাইছে। হেঃ হেহ হে… উপমহাদেশের মাঠে খেলা হইলে তাগো ব্যাটিং-বোলিং দুইডাই সাংঘাতিক রকম জ্বইলা ওঠে। এমনকি ভেঙ্কটেশ প্রসাদও তখন আগুনের গোলা ছুড়তে থাকে। এক একজন খেলোয়াড় তখন এক একটা আঠারো ঠ্যাং ওয়ালা সিংহ হইয়া যান! অথচ এঁরাই উপমহাদেশের বাইরে গেলে এক একজন নখ-দন্তহীন বিড়ালে পরিনত হয়। অর্থাৎ কিনা, খেলাডা কোন জায়গায় হইতাছে তার উপরেই তাগো পারফর্মেন্স চরমভাবে নির্ভর করে। তবে মাঠের বাইরের খেলায় কিন্তু দুই দেশই অবিসম্বাদিত যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন!

উপস্থাপকঃ এহম এহম … আমরা মাঠের খেলাতেই থাকি … ইন্ডিয়ার এরকম জায়গা ভেদে খেলার মানের ভয়াবহ ওঠা-নামার পিছনে কি কারণ থাকতে পারে বলে আপনার মনে হয়?

ভানুঃ হেহ হে … পাকিস্তানের সমস্যা ইতিহাসে আর ইন্ডিয়ার সমস্যা ভূগোলে। ভৌগোলিক অবস্থানের পরিবর্তনের সাথে সাথে তাগো খেলার মানেরও পরিবর্তন হয়! গায়ের জোরে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নদীর পানি অন্য খাতে প্রবাহিত করাইয়া যেইভাবে তাঁরা ভৌগোলিক পরিবেশ ধ্বংস করতাছে সেই তুলনায় তাগো উপরে ভূ-দেবীর শাস্তি তো অনেক কম কইরাই হইতাছে। ইতিহাস আর ভূগোলের সাথে চরম অনাচার করার কারনেই এই দুই দেশের এরকম অবস্থা…

উপস্থাপকঃ আপনি তো দেখছি সারাক্ষনই এঁদের সম্পর্কে নেতিবাচক কথাই বলে যাচ্ছেন …

ভানুঃ দেখেন, এই ইতিহাস-ভূগোল আর মাঠের বাইরের দুই নাম্বারি ছাড়া তাগো ক্রিকেটের বাকী সব কিছুই তো এখন ইতিবাচক। এ নিয়া নতুন কইরা আমার আর কি কওনের আছে? তাছাড়া ইতিবাচক দিকগুলা লইয়া তো ক্রিকইনফো আর কর্পোরেট মিডিয়াগুলা সপ্তায় সাত দিন চব্বিশ ঘণ্টা ঢোল পিডাইতেছে … তাই আমি ভাবলাম একটু অন্ধকার দিক গুলা লইয়া কথা কই। এতে যদি তাগো একটু হুঁশ হয়, হাজার হউক, তাঁরা তো আমাগো প্রতিবেশী, একটা দায়িত্ব আছে না?

উপস্থাপকঃ হুম, তা এবার শ্রীলংকা সম্পর্কে কিছু বলুন…

ভানুঃ দ্যাখেন, শ্রীলংকা হইলো উপমহাদেশের একমাত্র দল যাঁরা স্পেস-টাইম নির্বিশেষে সব সময়ে সব জায়গাতেই মোটামুটি ধারাবাহিক ভাবেই ভালো পারফর্ম করে, আর্থিক দিক দিয়া একটু পিছনে থাকার পরেও। দলটা খেলে ভালো, আচার আচরনেও ভালো। তাগো কাছ থেইকা বাংলাদেশের ক্রিকেটারগো অনেক কিছুই শেখার আছে। তাছাড়া নৃতাত্ত্বিক দিক দিয়াও তাঁরা আমাগো খুবই আপনজন। এর পাশাপাশি আফগানিস্তান আর নেপালের কথাও একটু বলা দরকার। নতুন দল হিসাবে আফগানদের খেলাধুলা বেশ ভালো, তবে তাগো কথাবার্তা আর চাল চলনে পাকিস্তানিদের প্রবল প্রভাব দেখা যায়। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট এত সোজা একটা জিনিস না, এখনই যদি টুকটাক সাফল্যের বদ-হজমে আকাশে উড়াল দিয়া দেয় তাইলে ভবিষ্যৎ খুব একটা ভালো হইবো না। এইদিক থেইকা নেপালের প্রশংসা করতেই হইবো।

উপস্থাপকঃ সব দেশ নিয়েই তো কথা হল, এবার আসুন বাংলাদেশ নিয়ে কথা বলি। ২০১৪ সালের শুরুটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য রীতিমত ভয়াবহ। শ্রীলংকার সাথে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, এশিয়া কাপ, এবং চলমান World T20 – কোনটাতেই ঠিক আশানুরূপ খেলতে পারছে না। আপনার কি মনে হচ্ছে?

ভানুঃ দ্যাখেন, খেলাটা আশানুরূপ হইল কি না সেইটা তো নির্ভর করবে আপনি কি রকম আশা করছিলেন তার উপর। ওই যে, আফগানদের বেলায় যেইটা কইছিলাম, সেই একই রকম কথাই কমু – আমরা উন্নতি করতাছি, তবে বড় দলগুলার থেইকা এখনও অনেক অনেক পিছনে। কাজেই তাগোরে প্রতিদিন হারামু – এমন ভাবলে তো হইবো না। আমাগো দর্শক-সমর্থকদেরকে এইডা বুঝতে হইবো। ক্রিকইনফোতে কিছু বাংলাদেশী ফ্যানের কমেন্ট দেখলে লজ্জ্বায় চান্দি গরম হইয়া যায়। এক্কেরে বাচ্চা পোলাপানের মত কইরা কথাবার্তা কয়। সেইখানে কিছু অসভ্য ইন্ডিয়ান আর পাকিস্তানী আছে যারা হিন্দি আর উর্দুতে নোংরা গালিগালাজ কইরা খুব ক্রেডিট ফীল করে। হেরা এই সব ইডিয়েট গুলার সাথে গলায় গলায় লাইগগা যায়। কিন্তু এগুলা বাদেও তো সেখানে অনেক ভদ্র মানুষ ভদ্র ভাষায় লেখালেখি করে।

উপস্থাপকঃ কিন্তু এই যে আফগান আর হংকং এর কাছে হেরে গেল …
ভানুঃ T20 তে এরকম হইতেই পারে। তাছাড়া ফেবারিট হিসাবে মাঠে নামার অভিজ্ঞতাও তো বাংলাদেশের তেমন একটা নাই, প্রত্যাশার চাপ সামাল দেয়া একটু কঠিন হইয়া গেছিলো। কেউ তো আর ইচ্ছা কইরা খারাপ খেলে না … ফ্যানরা প্রচন্ড আশাহত হইছে, কিন্তু এইডাই ক্রিকেট…

উপস্থাপকঃ অনেকে বলছেন দলে ও বোর্ডে অনেকগুলি ভায়রা ভাই জুটি জুটেছে, আর একারনেই দলের খেলায় একটা ছন্দপতন হয়েছে …

ভানুঃ এরকম অনেক কন্সপিরেসি থিয়োরি বাজারে চলে। কোন কোনোডা কিছু পরিমানে সত্য হইতেও পারে, কিন্তু বিশদ বিচার বিশ্লেষণ না কইরা এগুলা লইয়া মন্তব্য করা কঠিন। তবে এই ভায়রা-ভাই তত্ত্বের মাঝে আমি কেমন যেন এক প্রকার নারী-বিদ্বেষের গন্ধ পাইতাছি।

উপস্থাপকঃ সেকি! এখানে আবার নারী-বিদ্বেষের কি দেখলেন। ছেলেদের ক্রিকেটে নারী আসে কিভাবে?

ভানুঃ হেঃ হেঃ সেইডাই তো বোঝার ব্যাপার। একটু চিন্তা কইরা দ্যাখেন তো, কোন দলে যদি ভাই-ভাই খেলে, বাপ-ব্যাটা খেলে, কিংবা চাচা-ভাতিজা খেলে তাইলে কি কেউ সন্দেহ করে? করে না। কারণ এঁদের সম্পর্কের ভিত্তিটা পুরুষ নির্ভর। কিন্তু দুই ভায়রা ভাইএর সম্পর্কের ভিত্তি হইলো দুই বোন, দুই নারী। তবে আমার ধারনা ভুল হইতেই পারে। এর বাইরে আর একটা ব্যাখ্যাও আমার মনে উঁকি দিতাছে। বাঙালীরা তো ফারুক-রশিদ নামের এক ভায়রা জুটির অপকর্মের ভোগান্তি আজও টানতাছে, তাই জাতীয় পর্যায়ে কোন জায়গায় ভায়রা ভাই জুটি দেখলেই আতঙ্কে ভোগে। কইতে পারেন “ভায়রা-ফোবিয়া” হেঃ হেঃ … তাই হয়তো মনের অবচেতন থেইকাই এইডা লইয়া সোচ্চার হইতাছে। একেবারে নিশ্চিত কইরা তো কিছু বলা যায় না।

উপস্থাপকঃ প্রিয় দর্শক, এই মুহূর্তে আমাদেরকে বিরতিতে যেতেই হচ্ছে। আমাদের সাথেই থাকুন, অচিরেই বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে আরও বিস্তারিত আলাপ আলোচনার পসরা নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব। সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সবাই, ফিরছি এক্ষুনি …

Posted on April 1, 2014, in satire. Bookmark the permalink. Leave a comment.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

<span>%d</span> bloggers like this: